শুনানিতে জেমস ম্যাটিস আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটনে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক ধরে রাখার পক্ষে জোর দেন। তবে একই দিন বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সিনেট শুনানিতে ম্যাটিস বলেন, তাঁর নিয়োগ নিশ্চিত হলে তিনি জাতীয় স্বার্থ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তানকে প্রণোদনা দেওয়ার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করবেন। তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের ভূখণ্ডে তৎপর সন্ত্রাসীদের নিষ্ক্রিয় অথবা বিতাড়ন করতে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা দেওয়া অব্যাহত রাখা উচিত।
পাকিস্তান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নীতি ট্রাম্প প্রশাসন যে অব্যাহত রাখবে, ম্যাটিসের বক্তব্য তারই আভাস বলে মনে করা হচ্ছে।
ম্যাটিস আফগানিস্তানের লড়াইয়ে রণাঙ্গনে অংশ নিয়েছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নিয়েও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেনা কর্মকর্তা হিসেবে ম্যাটিসের বেপরোয়া ও আক্রমণাত্মক নীতির কারণে পাগলা কুকুরের সঙ্গে তুলনা করে তাঁকে ‘ম্যাড ডগ ম্যাটিস’ নামে ডাকা হতো। একই সঙ্গে সাহসী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে গভীর শ্রদ্ধার চোখেও দেখা হয়।
এদিকে বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেন, পাকিস্তান ও রাশিয়ার মতো কয়েকটি দেশের ‘হিতে বিপরীত’ গোছের কর্মকাণ্ডে আঞ্চলিক লড়াইয়ে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ছে।
0 comments:
Post a Comment