২০১৫ সালে পবিত্র হজ নিয়ে মন্তব্যের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত এবং মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার পর টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে লতিফ সিদ্দিকী পদত্যাগ করেন। এতে শূন্য হয়ে যায় ওই আসন। এই সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ৩ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। এ আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দেন কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। তবে ঋণখেলাপের অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
এর বিরুদ্ধে কাদের সিদ্দিকী নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে তা ওই বছরের ১৮ অক্টোবর খারিজ হয়। এরপর প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি। ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট কাদের সিদ্দিকীর রিট আবেদনের ওপর রায় দেন। এতে মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। এর ফলে স্থগিতাদেশ উঠে যায়। তখন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেছিলেন, রায়ের পর টাঙ্গাইল-৪ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানে আর কোনো আইনগত বাধা থাকছে না। আর ওই উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে পারছেন না কাদের সিদ্দিকী। এরপর আসনটিতে ২০ মার্চ উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানায় নির্বাচন কমিশন।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেন কাদের সিদ্দিকী। চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এর ফলে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ হারান তিনি। এরপর আজকে উপনির্বাচনের তারিখ জানাল নির্বাচন কমিশন।
About WARAJ
0 comments:
Post a Comment