বোর্ডিং স্কুলে ১২ ছাত্রী ধর্ষণের শিকার, তিনজন গর্ভবতী




ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে একটি বোর্ডিং স্কুলে একসঙ্গে ১২ আদিবাসী ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। তাদের বয়স ১২ থেকে ১৪ বছর। তারা সবাই আদিবাসী।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের বিরুদ্ধে এ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুম্বাই শহর থেকে প্রায় সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হিভারখেদা অঞ্চলের ওই বোর্ডিং স্কুলটির নাম নিনাধি আশরান স্কুল। শিক্ষার্থীদের পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ স্কুলটির শিক্ষক ও কর্মীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুলধানা জেলার পুলিশ সুপার এস ডি বাভিসকার জানান, দীপাবলির আগেই ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগকারী কিশোরীদের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় ওই স্কুলের অভিযুক্ত একাধিক শিক্ষক ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, এরই মধ্যে ১২ ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য অকোলা জেলার একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। ওই ছাত্রীদের একাধিকবার গণধর্ষণ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীপাবলি উৎসবে স্কুল ছুটি হওয়ায় জলগাঁও জেলার মুক্তিনগরের হলখেদা গ্রামের তিন ছাত্রী বাড়ি যায়। দীপাবলি উপলক্ষে গ্রামের স্থানীয় একটি মাঠে খেলাধুলা চলার সময় ওই তিন ছাত্রী মাঠের একপাশে বসে ছিল। তাদের বসে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায়, তাদের পেটে ব্যথা করছে। এর পর তাদের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তারা গর্ভবতী।

হলখেদা গ্রামের প্রধান বুলেসতারনি সাতি ভোসালে জানান, ওই তিন ছাত্রীকে প্রশ্ন করতেই সব তথ্য বেরিয়ে আসে। তারা জানায়, স্কুলের শিক্ষক ও কর্মীরাই এ কাজ করেছে। শুধু ওই তিন ছাত্রী নয়, মোট ১২ ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

মুক্তিনগর অঞ্চলের বিধায়ক একনাথ খাড়সে জানান, এ ঘটনায় দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Share on Google Plus

About WARAJ

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment