শিশু ওষুধ খেতে না চাইলে কী করবেন




.শিশুকে ওষুধ খাওয়ানো সহজ নয়—এ কথা যেকোনো মা-বাবাই জানেন। কিন্তু রোগ হলে তো ওষুধ খাওয়াতেই হবে। তাহলে কী করা? এ বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ:
* শিশু যদি কোনো ওষুধ অপছন্দ করে, অন্য কোম্পানির তৈরি একই গ্রুপের ওষুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। কেননা, ওষুধে একেক কোম্পানি একেক রকম স্বাদ ও গন্ধ ব্যবহার করে।
* সম্ভব হলে মুখে খাওয়ার ওষুধ প্রয়োগের চেষ্টাই করা উচিত। প্রয়োজন না পড়লে শিশুর শিরায়, মাংসে, ত্বকের নিচে ওষুধ না দেওয়াই ভালো। তাই খেতে চায় না বলে সব সময় বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে জোর দেবেন না।
* শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর নানা পদ্ধতি আছে। ওষুধ পরিমাপক কাপ ও চামচ, মুখে ব্যবহার করার সিরিঞ্জ, ওরাল ড্রপারস প্রভৃতি ব্যবহার করতে পারেন। তবে তার আগে ওষুধের মাত্রা নিরূপণের দাগগুলো অভিভাবকদের ভালো করে বুঝে নিতে হবে।
* সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের তরল ওষুধ বা সিরাপ দেওয়া হয়। এর চেয়ে বেশি বয়স হলে চুষে খাওয়ার ওষুধ দেওয়া যায়।
* ছোট্ট শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর সময় একটু একটু করে ঠোঁটের কোনার দিকে দিলে ভালো, কেননা এতে করে জিবের পেছনের দিকে তেতো স্বাদ অনুভূত হওয়ার যে সংবেদী কোষ আছে, তার সংস্পর্শ এড়ানো যায়।
* শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর জন্য কখনো রান্নাঘরের বা সাধারণ চামচ ব্যবহার করবেন না। এসব চামচে দাগ না থাকায় পরিমাণ কম-বেশি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
* সাধারণত শিশুর ওজনের ভিত্তিতে তার জন্য ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। একই বয়সের শিশুদের একেক জনের ওজন একেক রকম হতে পারে। সুতরাং, বয়স এক হলে শিশুর ওষুধের মাত্রা একই হবে, এমন ভাববেন না।

ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী
বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোনস্মিথ

আটা খাওয়ার ফলে কী কী স্বাস্থ্যসমস্যা হতে পারে? গম বা আটার রুটি খেলে কিছু প্রদাহ হতে পারে। এতে লেকটিন নামের উপাদান থাকে, যা পাকস্থলী বা অন্ত্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়


Share on Google Plus

About WARAJ

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment