ত্বক উজ্জ্বল করে যে চার খাবার ও ঘামের দুর্গন্ধ কমাবেন যেভাবে



[caption id="" align="aligncenter" width="650"]ত্বক উজ্জ্বল ত্বক উজ্জ্বল[/caption]



শুধু রং ফর্সাকারী ক্রিম দিয়ে ত্বক উজ্জ্বল বা স্বাস্থ্যকর হয় না। ত্বককে ভেতর থেকে ভালো রাখতে চাইলে প্রয়োজন ভালো খাবার। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো ত্বক উজ্জ্বল করতে সহায়ক।

ত্বক উজ্জ্বল করা খাবার


১. গাজর

গাজরের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ ও বেটা ক্যারোটিন। এটি কেবল চোখের জন্যই ভালো নয়, ত্বকের জন্যও ভালো। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও ত্বককে ভালো রাখতে সহায়তা করবে।

২. গ্রিন টি

গ্রিনটি টি খাওয়াও ত্বককে উজ্জ্বল করতে কাজ করে। এটি ব্রণের সঙ্গে লড়াই করতে। গ্রিন টিয়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ত্বকের জন্য খুবই ভালো। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দিনে অন্তত পাঁচ কাপ গ্রিন টি খাওয়া ত্বকের জন্য উপকারী হবে। তবে যে কোনো খাবারই অতিরিক্ত ভালো নয়, তাই আপনার দেহের অবস্থা বুঝে খাওয়াই সঠিক কাজ হবে।

৩. পালং শাক

পালং শাকের মধ্যে রয়েছে ফোলেট। এটি ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষকে বাধা দেয়। এটি ত্বককেও ভালো রাখে। এক কাপ পালং শাকে থাকে ৬৫ ফোলেট। প্রতিদিন এটি খেতে পারেন।

৪. ব্লু বেরি

ব্লু বেরি নিয়মিত খাওয়া ত্বকের উপকার করে। এই ফলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ড। এটি ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে, বার্ধক্যের ছাপ কমায়। এটি ত্বক উজ্জ্বল করতেও কাজ করে।

ঘামের দুর্গন্ধ কমাবেন যেভাবে





গরমের দিনে সবচেয়ে অস্বস্তিকর ব্যাপার হচ্ছে ঘাম এবং ঘামের দুর্গন্ধ। প্রথমে ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘাম নিঃসৃত হয় এবং পরে ব্যাকটেরিয়াযুক্ত হয়ে দুর্গন্ধ হয়। এসব ব্যাকটেরিয়া সবারই ত্বকে থাকে এবং গরমে ও ভেজা অবস্থায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। এভাবেই শরীরের যেসব স্থান ঘামে, সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হয়।

ব্যাকটেরিয়া সব ধরনের ঘামকে দুর্গন্ধযুক্ত করে না। সারা শরীরের ত্বকে ঘর্মগ্রন্থি রয়েছে। দুই ধরনের ঘর্মগ্রন্থি রয়েছে—ইক্রাইন ও এপোক্রাইন গ্রন্থি। ঘর্মগ্রন্থিগুলো শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও স্নায়বিক কারণে ঘর্মগ্রন্থি থেকে স্বচ্ছ, লবণাক্ত তরল পদার্থ বের হয়, যাকে আমরা ঘাম বলি। ঘামলে শরীর ঠান্ডা হয়। ইক্রাইন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত ঘামে কোনো দুর্গন্ধ হয় না। কিন্তু এপোক্রাইন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত ঘামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া যুক্ত হয়ে দুর্গন্ধ হয়। এপোক্রাইন গ্রন্থিগুলো দুই বাহুর নিচে ও যৌনাংশে বেশি মাত্রায় থাকে।

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে

  • প্রতিদিন অন্তত দুবার গোসল করুন।

  • অবাঞ্ছিত লোম ও চুলের জন্য ঘামের দুর্গন্ধ বেশি হতে পারে, তাই অবাঞ্ছিত লোম ও চুল উঠিয়ে ফেলবেন।

  • প্রতিদিন পরিষ্কার ধোয়া কাপড় পরবেন।

  • প্রতিদিন দুবার ডিওডেরান্ট, অর্থাৎ ঘামের গন্ধনাশক শরীরে লাগাবেন।

  • খুব বেশি ঘামলে অ্যান্টিপারসিপিরেন্ট লাগাবেন একদিন অন্তর।


ডিওডেরান্ট ও অ্যান্টিপারসিপিরেন্ট কিন্তু একই জিনিস নয়। ডিওডেরান্টে অ্যান্টিসেপটিক ও সুগন্ধি উপাদান থাকে।

অ্যান্টিপারসিপিরেন্টে একই সঙ্গে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা কি না ঘাম নিঃসরণ কমায়।

অ্যান্টিপারসিপিরেন্ট ২৫ থেকে ৩৫ ভাগ ঘাম নিঃসরণ কমায়।

খুব বেশি ঘামলে এটাও খেয়াল করতে হবে যে কোনো অসুখের জন্য এটা হচ্ছে কি না।

নানা রকম বিপাকীয় গোলমাল, হরমোনের অসুখ, সংক্রামক অসুখ, কিছু ওষুধ, এমনকি কিছু খাবারের জন্যও এমনটি হতে পারে।

খুব বেশি পেঁয়াজ ও রসুন খেলেও ঘাম বেশি হতে পারে।

এ রকম হলে চিকিৎসক, বিশেষ করে চর্মবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

নামাজের স্বাস্থ্য উপকারিতা দেখুন এখানে এটি আবার বিজ্ঞানও সমর্থন করেছে

Share on Google Plus

About WARAJ

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment